অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই)-এর সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী বলেছেন, কৃষিতে অটোমেশন ছাড়া টেকসই উন্নয়ন ও বড় সুফল পাওয়া সম্ভব নয়। তিনি বলেন, “খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে হলে ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ সক্ষমতা বাড়াতে হবে। এ খাতেই সবচেয়ে বেশি মূল্য সংযোজন সম্ভব।”
রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকার এডিসন প্রাইম ভবনে আয়োজিত ‘রোড টু মেড ইন বাংলাদেশ অ্যান্ড অ্যাগ্রো মেশিনারি ফেয়ার ২০২৫’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
আনোয়ার-উল আলম বলেন, দেশে বর্তমানে ২৬ লাখ ২৪ হাজার বেকার রয়েছে।
অন্যদিকে তৈরি পোশাক খাত নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারছে না। বর্তমানে এই খাতে ৩৫ লাখ শ্রমিক কাজ করলেও এটি স্বল্প মজুরির খাত হওয়ায় ভবিষ্যতে বড় সম্ভাবনা নেই। “এখন আমাদের মনোযোগ দিতে হবে ম্যানুফ্যাকচারিং ও হালকা প্রকৌশল যন্ত্রপাতি খাতে, যেখানে ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক প্রাণশক্তি নিহিত রয়েছে।”
বিসিআই সভাপতির তথ্য অনুযায়ী, ফার্ম মেশিনারির বৈশ্বিক বাজার ২০২৪ সালে ২১০ বিলিয়ন ডলার, যা ২০৩০ সালে হবে ৩২৯ বিলিয়ন ডলার
অটো স্পেয়ার পার্টস বাজার বাড়বে ৩৫০ বিলিয়ন থেকে ৭৫০ বিলিয়নে অটোমোবাইল খাতের আকার ২.৪ ট্রিলিয়ন থেকে বাড়বে ৪.৭ ট্রিলিয়নে
বাংলাদেশের হালকা প্রকৌশল যন্ত্রপাতির বাজার ১২ বিলিয়ন ডলার হলেও, এর ৫০ শতাংশই দেশে উৎপাদন সম্ভব।
কৃষি যন্ত্রপাতির বাজার ১৭৪.৪৫ বিলিয়ন টাকা, যেখানে দেশীয় উৎপাদন মাত্র ৪৫.৫৬ বিলিয়ন টাকার।
এছাড়া গত ১০ বছরে পোশাক ও বস্ত্রশিল্পে ১০.৩ বিলিয়ন ডলারের যন্ত্রপাতি আমদানি হয়েছে, যা পুরোপুরি আমদানিনির্ভর খাত।