বুধবার, এপ্রিল ১৫, ২০২৬
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * এক টানা ৫ দিন ছুটি আসছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে,   * কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন:দেবীদ্বার থেকে চাঁদাবাজি,মাদক বিদায় নেবে,১২ তারিখ সূর্য ডোবার সঙ্গে সঙ্গে :   * কুমিল্লা-১০: বিফল হল আপিলেও : গফুর ভুইয়া নির্বাচনে লড়তে পারবেন মোবাশ্বের   * জামায়াতের আমির বলেন:আমরা আর কোনো ফ্যাসিবাদ দেখতে চাই না   * কুমিল্লায় উন্নয়নের রোডম্যাপ তুলে ধরলেন মনির চৌধুরী   * কুমিল্লার পুলিশ ৩৪৩ জন চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীর খোঁজে ,   * এক মাসের মধ্যে কুমিল্লা বিভাগ হবে,১১–দলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে: আসিফ মাহমুদ   * আজ ইসিতে চলছে পঞ্চম দিনের শুনানি   * জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা,নির্বাচনে ভুয়া তথ্য মোকাবিলার জন্য.   * সরকারি কর্মকর্তা–কর্মচারীদের নতুন বেতনের সিদ্ধান্ত,কমিশনের প্রতিবেদন পেলেই  

   অর্থনীতি
ভারত হয়ে পাচার হচ্ছে বাংলাদেশের ইলিশ, আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি সিন্ডিকেট সক্রিয়
  Date : 22-09-2025

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ রপ্তানির সুযোগকে পুঁজি করে গড়ে উঠেছে একটি শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সিন্ডিকেট, যারা ভারতকে ট্রানজিট বানিয়ে তৃতীয় দেশে পাচার করছে পদ্মার ইলিশ। মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশের বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে সারা বছর ইলিশ সরবরাহ হয়ে চলেছে ভারতীয় লাইসেন্সের আড়ালে।

কুয়ালালামপুরের বুকিত বিনতাং এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশি রেস্তোরাঁগুলোয় পাওয়া যাচ্ছে পদ্মার ইলিশ। এখানকার হোটেল ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, ইলিশ আসে সরাসরি ভারত থেকে—তবে চুক্তি হয় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের সঙ্গেই। একই পরিস্থিতি সিঙ্গাপুরেও। মোস্তফা সেন্টারের আশপাশের রেস্তোরাঁগুলোতেও পদ্মার ইলিশ ৫০-৬০ ডলার রেটে বিক্রি হচ্ছে—যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬-৭ হাজার টাকা কেজি।

কলকাতার হাওড়া ও পাতিপুকুর বাজারের ব্যবসায়ীরা বলছেন, সারা বছরই চোরাই পথে বাংলাদেশি ইলিশ ভারতে আসে, যার মধ্যে অন্তত ৮০ শতাংশ বিদেশে রপ্তানি হয়ে যায় ভারতীয় লাইসেন্সে। ক্রেতা ঠিক করেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরাই, ভারতীয় রপ্তানিকারকরা কেবল মাধ্যম হিসেবে কাজ করেন।

এই পুরো প্রক্রিয়ায় দুই দেশের রপ্তানিকারক, ব্যবসায়ী ও কিছু রাজনৈতিক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সক্রিয় রয়েছেন। বাংলাদেশ থেকে যেসব ব্যবসায়ী ভারতে ইলিশ রপ্তানি করেন, তাদের অনেকেরই কলকাতায় ব্যক্তিগত বাড়ি, আড়ত ও গদি রয়েছে। বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা ভারতীয় আত্মীয়দের নামে লাইসেন্স করিয়ে ইলিশ রপ্তানি করছেন।

নীরব হোসেন টুটুল, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক। তার ৪টি লাইসেন্সে এ বছর ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তিনি বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন এবং সেখান থেকেই বাংলাদেশি ব্যবসা পরিচালনা করছেন বলে জানা গেছে।

সেভেন স্টার (পাবনা): হাওড়ায় নিজস্ব গদি ও ফ্ল্যাট রয়েছে তাদের মালিকের।

কেবিসি (বারাসাত): পশ্চিমবঙ্গের বাজারে উল্লেখযোগ্য প্রভাব রয়েছে এ প্রতিষ্ঠানের। বাড়ি, আড়তসহ বিস্তৃত কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

রিপোর্টে উঠে আসা কারও সঙ্গেই সরাসরি যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফোন করা হলেও নীরব হোসেন টুটুল, কেবিসি কিংবা সেভেন স্টারের কারও পক্ষ থেকে সাড়া মেলেনি।

ভারতের ‘ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন’-এর সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মকসুদ কোনো রি-এক্সপোর্টের কথা অস্বীকার করে বলেন, “আমরা বাংলাদেশ থেকে ইলিশ গ্রহণ করি এবং পশ্চিমবঙ্গে সরবরাহ করি, এর বাইরে কিছু জানি না।”

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ফিশ এক্সপোর্টার্স অ্যান্ড ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নিজামউদ্দিন বলেন, “দেশের চেয়ে কম দামে ইলিশ রপ্তানি কীভাবে সম্ভব?”—এ প্রশ্নই এই চক্রের কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে সন্দেহ সৃষ্টি করেছে।



  
  সর্বশেষ
সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রের নির্মাণশৈলী উন্নত করতে হবে” — তথ্য উপদেষ্টা
বিনিয়োগে ধস: অনিশ্চয়তায় থমকে গেছে বিদেশি পুঁজি
যানজটে আটকা পড়ে মোটরসাইকেলে চড়ে পরিদর্শনে উপদেষ্টা
‘সব কিছুরই শেষ আছে’—আদালত চত্বরে সাংবাদিকদের উদ্দেশে পলক



সম্পাদক ও প্রকাশক:
মো:তরিকত উল্লাহ
অফিস: ১০৯৯ মালিবাগ হক সেন্টার, ৫মতলা ঢাকা -১২১৯ । মোবাইল : ০১৭১১২৫৩১৯৩