অনলাইন ডেস্ক
গত রাত থেকে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার পর শুরু হওয়া বৃষ্টি ভোর পর্যন্ত রাজধানীতে অব্যাহত থাকে। টানা বৃষ্টির কারণে নগরীর বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়, যা ভোর থেকেই যাত্রী ও পথচারীদের জন্য দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নিউ মার্কেট, পল্টন, রামপুরা, কাকরাইল, মিরপুরের কাজীপাড়া, কালশী ও মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। পানির কারণে কিছু স্থানে সিএনজিচালিত অটোরিকশাও বিকল হয়ে পড়ে। সরকারি ছুটির দিন থাকা সত্ত্বেও যানবাহনের চাপ বেড়ে যায়।
এর আগে, সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অফিস জানিয়েছিল, দেশের ওপর একটি শক্তিশালী মৌসুমি বৃষ্টিবলয় ‘প্রবাহ’ প্রবেশ করছে। এটি ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকায় বৃষ্টি বয়ে আনবে। এটি চলতি বছরের ১৩তম বৃষ্টিবলয় এবং বিশেষ কিছু এলাকায় অতিরিক্ত ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রামের কিছু এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পূর্ব উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় থাকলেও উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর ও মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটি নতুন লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
বৃষ্টিবলয়টি ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের পূর্বাঞ্চল দিয়ে প্রবেশ করে ৬ অক্টোবর রংপুর বিভাগ হয়ে দেশ ত্যাগ করবে বলে আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস। এর সর্বোচ্চ সক্রিয়তা ২ থেকে ৪ অক্টোবরের মধ্যে থাকতে পারে।