অনলাইন ডেস্ক
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিলের পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সংসদ সদস্য (এমপি), স্থানীয় সরকার পরিষদ বা প্রতিষ্ঠানের সদস্য, কমিশনার, চেয়ারম্যান, মেয়র বা প্রশাসক পদে থাকতেও পারবেন না। একইসঙ্গে তিনি সরকারি চাকরি বা অন্য কোনো সরকারি পদেও নিয়োজিত হতে অযোগ্য হবেন।
৬ সেপ্টেম্বর ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনালস) অ্যাক্ট, ১৯৭৩-এ সংশোধনী আনা হয় এবং ২০(সি) নামক একটি নতুন ধারা যুক্ত করে এই অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। সংশোধিত বিধান অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনালে ফরমাল অভিযোগপত্র দাখিলের পর অভিযুক্ত ব্যক্তি এসব গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও রাজনৈতিক পদে থাকার বা নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা হারাবে।
অধ্যাদেশে আরও বলা হয়েছে, যদি ট্রাইব্যুনাল কোনো ব্যক্তিকে অব্যাহতি বা খালাস প্রদান করেন, তাহলে তার ক্ষেত্রে এই বিধান প্রযোজ্য হবে না।
এখন পর্যন্ত ক্ষমতাচ্যুত পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ বেশ কিছু সরকারি কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার শুরু হয়েছে। এছাড়াও, জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জ দাখিল করা হয়েছে।
এই নতুন অধ্যাদেশ কার্যকর হওয়ায় সংশ্লিষ্ট অভিযোগের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত হবে এবং বিচারাধীনদের দ্বারা সরকারি ও রাজনৈতিক পদদলের অপব্যবহার রোধ করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।