অনলাইন ডেস্ক
চলতি বছরের চিকিৎসাবিজ্ঞান (ফিজিওলজি বা মেডিসিন) বিভাগে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন তিনজন বিজ্ঞানী— মেরি ব্রাঙ্কো, ফ্রেড রামসডেল এবং শিমন সাগাগুচি।
তাদের গবেষণার ক্ষেত্র ছিল ‘পেরিফেরাল ইমিউন টলারেন্স’, যা মানুষের শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ব্যবস্থার ভারসাম্য রক্ষা ও অপ্রয়োজনীয় ইমিউন প্রতিক্রিয়া ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
📍 নোবেল কমিটি জানিয়েছে, এই আবিষ্কার অটোইমিউন ডিজঅর্ডার, অ্যালার্জি, ক্যানসার এবং অঙ্গ প্রতিস্থাপনের মতো চিকিৎসাক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
🔬 পেরিফেরাল ইমিউন টলারেন্স হলো এমন একটি জৈবিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে শরীর নিজের কোষ বা নিরীহ বহিরাগত উপাদানের (যেমন—খাদ্য উপাদান বা উপকারী ব্যাকটেরিয়া) বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বা অনাকাঙ্ক্ষিত ইমিউন প্রতিক্রিয়া তৈরি করা থেকে বিরত থাকে। এটি শরীরকে `নিজের বিরুদ্ধে` প্রতিরোধ গড়তে না দিয়ে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করে।
🏅 নোবেল পুরস্কার হিসেবে বিজয়ীরা পাবেন একটি করে সোনার মেডেল, সনদপত্র এবং মোট ১১ মিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনা (প্রায় ১২ লাখ মার্কিন ডলার বা ১৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা)। যেহেতু পুরস্কারটি তিনজন ভাগাভাগি করছেন, তাই অর্থমূল্যও সমভাবে বণ্টিত হবে।
📌 নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয় আজ সোমবার, বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টা ৩০ মিনিটে, সুইডেনের স্টকহোম থেকে।
নোবেল কমিটির এই বিভাগটি পরিচালনা করে সুইডেনের বিখ্যাত ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট।
🧬 প্রতি বছর অক্টোবর মাসে নোবেল কমিটি চিকিৎসা, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য, শান্তি এবং অর্থনীতিতে বিশেষ অবদানের জন্য বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে।